কর্মগুণ অনুসারে মানুষদের চারটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। জন্মগুণ অনুসারে নয়।
“চাতুর্বর্ণ্যং ময়া সৃষ্টং গুণকর্মবিভাগশঃ।"
(শ্রীমদ্ভাগবত গীতার অধ্যায়- ৪, শ্লোক- ১৩)
অর্থাৎ কর্মগুণ অনুসারে মানুষদের চারটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। জন্মগুণ অনুসারে নয়। যার কারণে গাদির পুত্র বিশ্বামিত্র ছিলেন ব্রাহ্মন যদিও গাদি ছিলেন ক্ষত্রিয়। আবার শুদ্রের পুত্র রত্নাকর ব্রহ্মজ্ঞান অর্জন করে হয়েছিলেন ব্রাহ্মন। তার নাম হয়েছিল ঋষি বাল্মিকি এবং রচনা করেছিলেন রামায়ণের। এখানেই প্রমাণিত হয় যে ক্ষত্রিয় বা শুদ্রের ছেলেও ব্রাহ্মন হতে পারে।
🚩জয় শ্রী কৃষ্ণ🚩

Comments
Post a Comment