Posts

অখণ্ড ভারতের ইতিহাস

Image
 ভারত  ভেঙে হয়েছে ১৫ টা দেশ  #ভারত, ইতিহাস জেনে নিন: - ভারতকে আগে অখন্ড ভারত বলা হত। কারণ গোটা বিশ্বে ভারত ছিল অনেক বড়।  ১৫ টি দেশ ভারত থেকেই জন্মগ্রহণ করেছিল। এটা কিভাবে হল? এই 15 টি দেশ কি? এটা জেনে রাখুন:----  #ইরান: ভারত থেকে আর্যরা যখন ইরানের বালুচিস্তানের এসেছিল। এই ইরান এর প্রাচীন নাম ছিল আরিয়ান (আর্য সমাজ) । এর পরে আরবের দূস্যরা  এখানে আক্রমণ করেছিল। এরপরে এর নামকরণ করা হয় ইরান। 1378 সালে ভারত থেকে আলাদা করে দিয়েছে । #কম্বোডিয়া: প্রথম শতাব্দীতে কম্বোডি নামে এক ভারতীয় ব্রাহ্মণ এ দেশে হিন্দু রাজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এ কারণেই এর নামকরণ করা হয়েছিল কম্বোডিয়া। পরে এটি একটি স্বাধীন দেশে পরিণত হয়।  এই কম্ভোডিয়া বিশ্বে সব থেকে বড় মন্দির অবস্থিত যা বিষ্ণু(অঙ্কুরভাট) মন্দির নামে পরিচিত । #ভিয়েতনাম: এই দেশটির নাম আগে ছিল চম্পা। এটি ভারতের একটি অংশ ছিল। 1825 সালে হিন্দুজা চম্পায় শেষ হয়েছিল। এটি একটি পৃথক দেশে পরিণত হয়েছিল।  #মালয়েশিয়া: ভারতীয়রা এখানে বোধধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছিল। এই দেশটি ভারতীয় সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত ছিল। 1948 সালে ভারত থেকে...

একটি ধর্মীয় শিক্ষণীয় গল্প

Image
একজন লোকের মৃত্যু হয়ে গেল। যখন তার জ্ঞান ফিরলো তখন সে দেখলো স্বয়ং ভগবান হাতে একটি ব্যাগ নিয়ে তার কাছে এসেছেন।  এসেই ভগবান বলছেন - " পুত্র , চলো,এখন সময় হয়ে গেছে।  আশ্চর্য হয়ে লোকটি বলল-" এখন !  এত তাড়াতাড়ি ?  এখনো তো আমাকে অনেক কর্ম করতে হবে, আমি ক্ষমা চাইছি ভগবান , এখনও আমার যাওয়ার সময় হয় নি , তবে আপনার এই ব্যাগে কি আছে ?" ভগবান বললেন - " তোমার জিনিস। " লোকটি বললো - " আমার জিনিস!! তারমানে আমার বস্তু, আমার কাপড় , আমার  ধন-দৌলত তাই তো ভগবান ? " ভগবান বললেন - "এই বস্তুগুলি তোমার নয়, এগুলি তো পৃথিবীর সম্বন্ধীয় জিনিস। " লোকটি বললো - " তাহলে এই ব্যাগে কি আমার স্মৃতি আছে ?" ভগবান বললেন - " এটা তো কখনোই তোমার ছিল না , এটা তো শুধুমাত্র সময়েরই ছিল ? " লোকটি বললো - " তাহলে এতে আমার পরিবার আর বন্ধুদের স্মৃতিই থাকবে ?" ভগবান বললেন - " ক্ষমা করো পুত্র , এরা তো কখনোই তোমার ছিলনা। তারা হলো তোমার জীবনের চলার রাস্তায় দেখা হওয়া পথিকের মতো। " লোকটি বললো - " তাহলে তো আমি নিশ্চিত যে এই ব্যাগে আমার শরী...

কর্মগুণ অনুসারে মানুষদের চারটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। জন্মগুণ অনুসারে নয়।

Image
 “চাতুর্বর্ণ্যং ময়া সৃষ্টং গুণকর্মবিভাগশঃ।" (শ্রীমদ্ভাগবত গীতার অধ্যায়- ৪, শ্লোক- ১৩) অর্থাৎ কর্মগুণ অনুসারে মানুষদের চারটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। জন্মগুণ অনুসারে নয়। যার কারণে গাদির পুত্র বিশ্বামিত্র ছিলেন ব্রাহ্মন যদিও গাদি ছিলেন ক্ষত্রিয়। আবার শুদ্রের পুত্র রত্নাকর ব্রহ্মজ্ঞান অর্জন করে হয়েছিলেন ব্রাহ্মন। তার নাম হয়েছিল ঋষি বাল্মিকি এবং রচনা করেছিলেন রামায়ণের। এখানেই প্রমাণিত হয় যে ক্ষত্রিয় বা শুদ্রের ছেলেও ব্রাহ্মন হতে পারে। 🚩জয় শ্রী কৃষ্ণ🚩